সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
মানচিত্র
বিনোদন

কিংবদন্তি সঙ্গীত শিল্পী আব্দুল আলীমের জন্মদিন আজ

বাংলা লোকসঙ্গীতের প্রবাদপ্রতিম কণ্ঠশিল্পী আব্দুল আলীমের জন্মদিন আজ। ১৯৩১ সালের আজকের দিনে (জুলাই ২৭) তৎকালীন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের তালিবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আব্দুল আলীম।

তার গাওয়া বিখ্যাত প্রেমের মরা জলে ডোবে না, পরের জায়গা পরের জমি, সর্বনাশা পদ্মা নদী, হলুদিয়া পাখি, এই যে দুনিয়া কিসেরও লাগিয়া, কিংবা সব সখীরে পার করিতে নেব আনা আনা ইত্যাদি গানগুলো গুনগুন করে গাননা এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া মুশকিল।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই গ্রামোফোন রেকর্ডে গান শুনে গান গাইবার জন্য আগ্রহ জন্মে আব্দুল আলীমের। ছোটবেলায় তাঁর সঙ্গীত শিক্ষার হাতেখড়ি হয় সৈয়দ গোলাম আলী মাধ্যমে।

এছাড়া স্থানীয় বিভিন্ন পালা পার্বণে গান গাওয়ার সূত্রে মাত্র ১৩ বছর বয়সে ১৯৪৩ সালে তার প্রথম গান রেকর্ড হয়। তার রেকর্ডকৃত প্রথম গান দুটি হলো, তোর মোস্তফাকে দে না মাগো এবং আফতাব আলী বসলো পথে। সে যুগে এত অল্প বয়সে গান রেকর্ড হওয়া সত্যিই বিস্ময়কর। তবে তার এ উত্থান পরে আর বিস্ময় হয়ে থাকেনি, তিনি হয়ে উঠেছিলেন বাংলার লোকসঙ্গীতের এক অবিসংবাদিত কিংবদন্তি পুরুষে।

পরবর্তীকালে তিনি কলকাতায় যান এবং সেখানে আব্বাসউদ্দিন ও কাজী নজরুল ইসলামের সাহচার্য লাভ করেন। তিনি লোক ও শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের উপর দীক্ষা নিয়েছেন বিখ্যাত ওস্তাদ বেদারউদ্দিন আহমদ, ওস্তাদ মোহাম্মদ খসরু, ওস্তাদ মমতাজ আলী খান, ওস্তাদ আব্দুল লতিফ, ওস্তাদ কানাইলাল শীল, ওস্তাদ আব্দুল হালিম চৌধুরী প্রমুখের কাছে। এছাড়া লেটো দল, যাত্রা দলেও নিয়মিত কাজ করেছেন আব্দুল আলীম।

১৯৪৭ এ দেশ বিভাগের পর আব্দুল আলীম ঢাকায় চলে আসেন এবং রেডিওতে স্টাফ আর্টিস্ট হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন। ষাটের দশকে টেলিভিশন সেন্টার চালু হলে সেখানেও সঙ্গীত পরিবেশন শুরু করেন তিনি। পেশাগত জীবনে তিনি ছিলেন ঢাকা সঙ্গীত কলেজের লোকগীতি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক।

Related posts

দেশ গঠনে যুব সমাজকে উৎসাহিত করতে চলচ্চিত্র ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে :তথ্যমন্ত্রী

sahadat Hossen

ডেনমার্কের মেয়ে দীপিকা বলিউডে এসে তারকা, পা রাখলেন ৩৬ বছরে

zilian

তিন দিন ধরে নিখোঁজ অভিনেতা শামীম

srabon

Leave a Comment

Translate »