জানুয়ারি ২৪, ২০২২
মানচিত্র
বিনোদন

আবারো প্রশ্নবিদ্ধ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

আবারো প্রশ্নবিদ্ধ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

অভিযোগ উঠেছে এবার জুড়ি বোর্ডকে ধোঁকা দিয়ে ভারতীয় লেখকের নাম অনুল্লেখ রেখে শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার বিভাগের পুরস্কার নেয়া হচ্ছে বলে । যৌথভাবে সেরা চলচ্চিত্র নির্বাচিত হওয়া ‘ন ডরাই’ সিনেমার প্রযোজক মাহবুব উর রহমানকে পুরস্কারটি দেয়া হবে।

চলচ্চিত্রটির অফিসিয়াল ট্রেইলার, হলে প্রদর্শিত সংস্করণ এবং উইকিপিডিয়ায় লেখক হিসেবে ওপার বাংলার সুপরিচিত চিত্রনাট্যকার শ্যামল সেনগুপ্তের নাম দেখা গেছে। ইসলাম প্রবর্তকের স্ত্রীর নামে প্রধান চরিত্রের নামকরণের কারণে মুক্তির সময় সিনেমাটির বিরুদ্ধে ওঠা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যখন প্রতিবাদ ভাংচুর থেকে শুরু করে হাইকোর্টের রুল অবধি গড়িয়েছিল, তখনও লেখক হিসেবে শ্যামলের নামই সর্বত্র উচ্চারিত হয়েছে। তবুও প্রযোজক মাহবুব কীভাবে শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকারের পুরস্কার পেলেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এই ভারতীয় । তবুও  মাহবুব এবং জুরি বোর্ডের দাবি, এক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হয়নি।

শ্যামল গণমাধ্যমকে বলেন, এটা নিয়ে আমি কোনো ঝামেলা তৈরি করতে চাই না। তবে আমার কাছে ঘটনাটি খুবই অগ্রহণযোগ্য লাগছে। এটা কি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের মর্যাদা নষ্ট করবে না? খোদ রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী যে পুরস্কারটি হাতে তুলে দেবেন, সেখানে এমন ধোঁকাবাজি পুরো দেশের সম্মানের জন্যই ক্ষতিকর। বাংলাদেশের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের যে জুরি বোর্ড, তারা কি কোনো কিছুর খোঁজ রাখেন না? এমন প্রশ্নও তোলেন এই চিত্রনাট্যকার।

তিনি বলেন, তাদের শৈথিল্য দেখে আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি। সিনেমাটি যদি বেশি আলোচিত না হতো, তাহলেও না হয় বুঝতাম তারা এ সম্পর্কে জানতেন না। যেখানে এত জায়গায় আমার নাম আছে, তারা কী করে এমনটা করলেন? জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে জুড়ি বোর্ডের সদস্য সচিব এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসীম উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, কাগজেপত্রে যেটা আছে, সেটা দেখেই আমরা পুরস্কার দিয়েছি।

ন ডরাইয়ের সুবাদে ২০১৯ সালের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক নির্বাচিত হওয়া তানিম রহমান অংশু বলেন, এই বিষয়গুলো পুরোপুরি প্রযোজকের আওতাধীন। তিনিই শ্যামল সেনগুপ্তকে চিত্রনাট্যের কাজে সম্পৃক্ত করেছিলেন। পরবর্তীতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্যও প্রযোজনা সংস্থা স্টার সিনেপ্লেক্সের পক্ষ থেকেই সব ধরনের মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছিল। এগুলো একদমই তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত।

অভিযুক্ত প্রযোজকের ভাষ্য, পুরস্কারটি আসলে আমার প্রতিষ্ঠান পেয়েছে। তাই সেখানে আমার নাম এসেছে। তিনিও (শ্যামল) আমাদের অংশ ছিলেন। একসাথে দলগতভাবেই কাজটি আমরা করেছি। মূল গল্পটা আমার তৈরি করা। চিত্রনাট্যের কাজও এখানে (বাংলাদেশে) আমরাই করেছি। তবে তিনি যেহেতু অভিজ্ঞ, পুরো প্রক্রিয়ায় তাঁর সাহায্য নিয়েছি।

ফারহা পুষ্পিতা

Related posts

ছাড়পত্র পেলো পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘চিরঞ্জীব মুজিব’

Maydul Islam

ঘোষণা করা হয়েছে ২০১৯ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

Labonno

নতুন রুপে আসছেন ডিক্যাপ্রিও।

রাজন চৌধুরী

Leave a Comment

Translate »